VPN (Virtual Private Network )  কি এবং কি কাজে সাধারনত ব্যবহার করা হয়, VPN হচ্ছে আপনার এবং আপনি যে ওয়েবসাইটটিতে বা যে সার্ভারটিকে Connect করার চেষ্টা করছেন, তার মধ্যে একটি মিডল-ম্যান হিসেবে কাজ করে। আপনি VPN ব্যবহার করলে আপনি যে সার্ভারটিতে Connect  করবেন, তার আগে আপনার ডিভাইসটি VPN PROVIDER নিজের সার্ভারে আগে Connect হবে এবং এরপরে আপনার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটটির সার্ভারে Connect হবে। এর ফলে, আপনার IP ADDRESS  HIDE  হয়ে থাকবে এবং ওয়েব সার্ভারটির কাছে যে REQUEST যাবে সেটি আপনার VPN প্রোভাইডারের  আইপি অ্যাড্রেস থেকে যাবে।এর ফলে আপনার নিজের IP ADDRESS   সুরক্ষিত এবং গোপন থাকবে।

সহজ কথায় বলতে পারেন, VPN ব্যবহার করলে আপনার সম্পূর্ণ ডিভাইসটি VPN প্রোভাইডারের তৈরি একটি এনক্রিপটেড টানেলের মধ্যে দিয়ে ইন্টারনেটে সবধরনের Request  যাওয়া-আসা করে, যেখানে যেখানে VPN প্রোভাইডার এবং আপনি ছাড়া আর কেউই আপনার রিয়াল আইপি এবং লোকেশন সম্পর্কে জানতে পারেনা। এর ফলে Geographically Restricted সাইটগুলো অর্থাৎ এককথায় আপনার দেশে Blocked থাকা Web কিংবা Web Service আপনি অ্যাক্সেস করতে পারেন। আসলে VPN কিভাবে কাজ করে প্রথমত, VPN আপনার কানেকশনটিকে  Encrypt করে একেবারে আপনার ডিভাইসের সিস্টেম লেভেল থেকে যার ফলে আপনার পিসির সব অ্যাপস এবং সব সার্ভিস এবং সবধরনের ইনকামিং এবং আউটগোয়িং কানেকশনগুলো VPN সার্ভারের সাহায্যে এনক্রিপ্ট হয়ে যায়। কাজের ধরন অনুযায়ী VPN কে বৈধ আর অবৈধ দুইভাবেই ব্যবহার করা যায় ।

আর Proxy সার্ভারগুলোর মধ্যে সব থেকে কমন হচ্ছে HTTP প্রক্সি যেগুলো আপনি ওয়েব ব্রাউজারের সেটিংস থেকে অ্যাক্সেস করতে পারবেন অথবা কোন ফ্রি প্রক্সি ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার কাঙ্খিত ওয়েবসাইট অ্যাড্রেসটি টাইপ করে ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে

HTTP প্রক্সি ব্যবহার করে সেখানে আপনার আইপি অ্যাড্রেস হাইড করতে পারবেন। তবে  HTTP মানে হচ্ছে নন-সিকিওরড কানেকশন এবং HTTPS মানে হচ্ছে Secured Connection । তাই আপনি HTTP প্রক্সি ব্যবহার করছেন, এর মানে হচ্ছে আপনার কানেকশনটিতে কোনরকম এনক্রিপশন নেই।

আর প্রক্সির কথা বললে, HTTP প্রক্সি ছাড়াও এমনও অনেক প্রক্সি আছে যেগুলো HTTPS কানেকশন সাপোর্ট করে। তবে আপনি ইন্টারনেটে যত ধরনের ফ্রি প্রক্সি ওয়েবসাইট পাবেন এবং ব্যবহার করবেন, তার সবগুলোই প্রায় HTTP কানেকশন ব্যবহার করে। অর্থাৎ, এটি শুধুমাত্র আপনার আইপিই হাইড করবে। তবে আপনার কানেকশনটি আন-এনক্রিপ্টেড হওয়ায়, আপনি ইন্টারনেটে কোথায় কি করছেন সবকিছুই আপনার Proxy Provider এবং ওয়েব সার্ভারের কাছে ভিজিবল হবে।  আর প্রক্সি মানে আপনার কানেকশনটি এনক্রিপ্টেড নয় এবং তারা আপনার কানেকশনটি Modify করতে পারছে, যেহেতু আপনি তাদের প্রক্সি সার্ভার ব্যবহার করছেন।