Internet, যা আজ প্রায় প্রতিটি মানুষের জিবনের সাথে অতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে গেছে। ইন্টারনেট কারনে সারা বিশ্ব আজ হাতের মুঠোয়। আপনার কি জানেন এই ইন্টারনেট এর বয়স প্রায় পঞ্চাশ হতে চলেছে, তবে গত বিশ বছরে এর জনপ্রিয়তা পেয়েছে সবচাইতে বেশী, এই বিশ বছরে বিশ্বের প্রায় ২১০ টিরও বেশী দেশকে বেঁধেছে এক অদৃশ্য সুতোয়। আজ আপনাদের বলবো ইন্টারনেট জগতের প্রথম যতকিছু।

 

E-mail

আমরা আজ ভুলেই গেছি হাতে চিঠি লেখার কথা, ভুলে গেছি পোস্টঅফিস নামের প্রতিষ্ঠানের কথা। এর পেছনের কারন হচ্ছে ই-মেইল। এই E-mail এতটাই বহুল ব্যবহৃত যে, এক হিসাবে দেখা গেছে প্রতি সেকেন্ডে সারা বিশ্বে প্রায় ২৪ লক্ষের বেশী E-mail আদান প্রদান হয়।

ইতিহাসে সর্বপ্রথম ইমেইল পাঠানো হয়েছিল ১৯৭১ সালে। সে সময় Ray Tomlinson নামে এক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার CYPNET ও SNDMSG নামক দুইটি প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে প্রথম নেটওয়ার্ক ইমেইল পাঠান। তার আগে অবশ্য কম্পিউটার এর এক ইউজার থেকে আরেক ইউজারে ইমেইল পাঠানো যেতো।

WebCAM

XCoffee, পৃথিবীর প্রথম ওয়েবক্যাম। এই ক্যামেরাটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৯১ সালে। তবে মজার বিষয় হচ্ছে এটি কিন্তু কোন চ্যাট বা সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এর কাজের জন্য তৈরী হয়নি। এটি তৈরী করে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এর বিজ্ঞানীরা। আর এই সিস্টেমটি মূলত আবিস্কার করা হয় শুধুমাত্র এই বিশ্ববিদ্যালয় এর কম্পিউটার ল্যাব এর কফি মেশিন এর লাইফ ছবি দেখার জন্য।

YouTube

ইউটিউবের যাত্রা বেশী দিনের নয় , মাত্র বারো বছর। ২০০৫ সালে Chad Hurley, Steve Chen ও Jawed Karim মিলে তৈরী করেন ইউটিউব। জাওয়েদ করিম এর ১৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও আপলোডের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয় ইউটিউবের। পরে অবশ্য ২০০৬ সালে ১.৬৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে গুগল এই ইউটিউব কিনে নেয়।

Cyber Cafe

সাইবেরিয়া, পৃথিবীর প্রথম সাইবার ক্যাফে। এটি ১৯৯৪ সালে ব্রিটেনের ওয়াইটফিল্ড স্ট্রিটে চালু হয়। দিনের পর দিন এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কারনে সাইবার ক্যাফেরটির মালিকগন বিভিন্ন দেশে এর শাখা অফিস খুলেন। তবে সে সময় এই সাইবার ক্যাফে ব্যাবহার ছিল ব্যায়বহুল। প্রতি ঘন্টার জন্য দিতে হতো প্রায় ১৫০ ডলার।

(চলবে)