টেকলার্ন বিডির পক্ষ থেকে সবাইকে আবারও অভিনন্দন।

আবারও আপনাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। টাইটেল দেখেই বুঝতে পারছেন বিষয়টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে হ্যা, যাদের হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করেছে তারাই বুঝতে পারবে এর প্রয়োজনীয়তা। হার্ড ডিস্ক কম্পিউটারের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশের একটি।

আপনার সকল ডেটা বা তথ্য হার্ডডিস্কেই সংরক্ষিত থাকে। আপনার RAM- এর কোন সমস্যা হলে একই বাসের RAM দিয়ে মাদারবোর্ড গেলে একই মাদারবোর্ড বা অন্য মাদারবোর্ড দিয়েও কাজ চালাতে পারবেন ডেটার কোন ধরণের ক্ষতি ছাড়াই। কিন্তু হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করলে ডেটা উদ্ধার করা অনেক কষ্টকর হবে।

যাই হোক, যে কোন সময় আপনার হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করতে পারে এবং করলে আপনার করণীয় কি সে ব্যাপারেই এখন আলোকপাত করা হবে।

চলুন কিভাবে বুঝবেন আপনার হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করেছে। আপনার অপারেটিং সিস্টেম যখন হার্ডডিস্কে থাকা ডেটাগুলোকে পড়তে ব্যর্থ হবে সাধারণত তখনই বুঝবেন আপনার হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করেছে। ক্র্যাশ করলে হার্ডডিস্ক পুরোপুরি বা আংশিক নষ্ট হয়ে যেতে পারে। যার ফলে হারিয়ে যেতে পারে তাতে থাকা আপনার গুরুত্বপূর্ণ ডেটাও।

হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ দুই ধরণের হতে পারে। একটি হলো ফিজিক্যাল এবং অপরটি হলো লজিক্যাল। ফিজিক্যাল ক্র্যাশের কারণে আপনার হার্ডডিস্কটি একবারেই অকার্যকর হয়ে যেতে পারে।

আর লজিক্যাল ক্র্যাশ হলে পার্টিশন, বুট সেক্টর ও ডিরেক্টরি এরিয়া নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

লজিক্যাল ক্র্যাশ হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সফ্টওয়্যারের সাহায্যে তথ্য উদ্ধার করা যায়। আর যদি ফিজিক্যাল ক্র্যাশ হয় তবে হার্ড ডিস্কের বিভিন্ন পার্টস এর পরিবর্তন করা লাগতে পারে। আপনি কম্পিউটারে কাজ করছেন, হঠাৎ আপনার কম্পিউটার রানিং থাকা অবস্থায়ও ক্র্যাশ করতে পারে।

তখন আপনি মনিটরে Invalid partition table, Sector not found, General failure reading drive এবং Invalid media type সহ নানান ধরনের ম্যাসেজ দেখতে পাবেন। আপনি যখনই এই ধরনের ম্যাসেজ দেখবেন সাথে সাথে আপনার কম্পিউটারটি শাট ডাউন দিয়ে দিবেন।

কম্পিউটার শাট ডাউন দেওয়ার পর পুনরায় আপনার পিসিটি চালু করবেন এবং বায়োসে প্রবেশ করে দেখবেন হার্ডডিস্ক শো করে কিনা। যদি বায়োসে গিয়ে আপনার হার্ডডিস্ক দেখতে পান তবে নিম্নোক্ত সফ্টওয়্যারের সাহায্য নিতে পারেন।

১) ডিস্ক ম্যানেজার ২) বেডকপি প্রো সহ আরো বিভিন্ন ধরনের সফ্টওয়্যারের সাহায্যে হার্ড ডিস্কের ক্র্যাশ অংশ ঠিক করে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে পারবেন।

তবে হ্যা, ফিজিক্যাল ক্র্যাশ করলে কিন্তু ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে আপনাকে।

এবার জেনে রাখুন হার্ড ডিস্ককে ক্র্যাশ থেকে বাঁচাতে কি করবেন। সপ্তাহে অন্তত একবার হলেও ডিস্ক ক্লিন ও ডির্ফাগমেন্ট করবেন। তবে আপনাকে আরেকটি বিষয়ের দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে আর তা হলো হার্ডডিস্ক ও হার্ড ডিস্কের আশেপাশের পরিবেশ যেন ধুলাবালি মুক্ত থাকে।

ধন্যবাদ।