টেকলার্ন বিডির পক্ষ থেকে সবাইকে আবারও অভিনন্দন। কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভালই আছেন।

স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন প্রচুর পরিমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সকল ব্যবহারকারীর মধ্যে অধিকাংশ ব্যবহারকারীরাই ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে।

আর ইন্টারনেট সুবিধাটা যদি হয় ফ্রি তাহলে তো কোন কথাই নেই। শুরু হয় প্রতিযোগিতা কার আগে কে কানেক্টেড হবে!

আপনি কি জানেন যত্রতত্র ওয়াইফাই কানেকশন আপনার বিপদের কারণ হতে পারে? কেননা আমরা বর্তমানে আমাদের প্রয়োজনীয় সব ডাটাই আমাদের স্মার্টফোনে সংরক্ষণ করে রাখি। যেমন মেইল আই.ডি,(অনেকে আবার ভুলে যাবার ভয়ে পাসওয়ার্ডও সংরক্ষণ করি), ব্যাংক একাউন্ট সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডাটা। অপরিচিত ওয়াইফাই কানেকশন হ্যাক করে ফেলতে পারে আপনার ডিভাইসের পুরো ডাটাসমূহ। একবারও ভেবে দেখেছেন কি যদি আপনার স্মার্টফোনের সব ডাটা বা তথ্য যদি অন্যের হাতে চলে যায় তবে আপনার কি অবস্থা হবে?

বর্তমানে অফিসে, বাসায়, শপিং মলে, গাড়ীতে, পার্কে, রেষ্টুরেন্টে মোটকথা প্রায় সব জায়গায়তেই ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা দেওয়া হয় এবং আমরা তা স্বাচ্ছন্দে এই সুবিধাটা উপভোগ করি। আর এ সুযোগে হ্যাকাররা ওত পেতে থাকে হ্যাকিংয়ের জন্য। তাই আমাদের উচিত কিছু কিছু নিয়ম মেনে স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা।

  • ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা নেওয়ার আগে আমাদের ভাবা উচিত যে এই মুহুর্তে আমার আসলেই ইন্টারনেট কানেকশনের দরকার কিনা। যদি একান্তই দরকার হয় তবে কানেক্ট করার আগে আপনার সিকিউরিটি সম্পর্কে নিশ্চিত হোন।

 

  • যে ডিভাইস বা রাউটারের সাথে কানেক্টেড হবেন তার সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন। কেন সে আপনাকে ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা দিবে।

 

  • আপনাকে অবশ্যই একটি ভালমানের সিকিউরিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হবে এবং তা হালনাগাদ অর্থাৎ আপডেটেড রাখতে হবে।

 

  • আপনার অপারেটিং সিস্টেমকেও আপডেটেড রাখুন।

 

  • আপনার ব্রাউজারসমূহও আপডেটেড রাখুন এবং অপরিচিত লিংক দেখলেই ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন।

 

  • সামাজিক যোগাযোগ সাইটসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সাইটসমূহে বিশেষ করে অনলাইন ব্যাংক একাউন্ট, অনলাইন শপিং এবং ই-কমার্সের সাইটগুলোতে ব্রাউজ করার সময় এনক্রিপ্টেড ইউ.আর.এল ব্যবহার করুন।

 

  • যখন ওয়াইফাই কানেক্টেড হবে তখন সাথে সাথে কোন নতুন সফ্টওয়্যার ইনস্টল বা অপ্রয়োজনীয় কোন সফ্টওয়্যার আপডেট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। কেননা অনেক সময় হ্যাকাররা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে ম্যালওয়্যারের সংক্রমন ঘটাতে পারে। যার ফলে আপনার ডিভাইসের সকল তথ্য হ্যাকারদের হাতে চলে যেতে পারে।

 

  • প্রয়োজন ছাড়া ওয়াইফাই অপশানটি অফ করে রাখতে পারেন।

তো আজ এই পর্যন্তই। আশা করি উপরের তথ্যগুলোর সঠিক ব্যবহার করে আপনিও নিরাপদ থাকবেন এবং ভাল লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করে আপনার শুভাকাঙ্খীদেরও নিরাপদ রাখতে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করবেন। ধন্যবাদ।