টেকলার্ন বিডির পক্ষ থেকে সবাইকে আবারও অভিনন্দন।

কম্পিউটারের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সাথে বাড়ছে ব্যবহারকারীও। অফিস আদালতে আমাদের প্রতিদিন কমপক্ষে ৮-১০ ঘন্টা কম্পিউটারে কাজ করতে হয়।আর কম্পিউটার ব্যবহার করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি চাপ পরে আমাদের চোখের মধ্যে।

তাই আমাদের জানা উচিত কিভাবে আমরা আমাদের চোখের যত্ন নিতে পারি। তো চলুন শুরু করা যাক।

 অত্যাধিক আলো পরিহার করাঃ

কাজের জন্য যথাযথ আলোর সামঞ্জস্যতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কম্পিউটার এমন স্থানে রাখা উচিত যেখানে লাইট অথবা জানালার আলোর অত্যাধিক প্রতিফলন না ঘটে। কারণ আলোর অত্যাধিক প্রতিফলতার কারণে চোখে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

কাজের ফাঁকে বিরতি নেয়াঃ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) তাদের এক গবেষণায় মত প্রকাশ করেছে যে, অধিক সময় ধরে কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় পর পর বিরতি নিতে হবে।

এতে করে চোখের উপর তেমন চাপ পড়বে না। তাই অধিক সময় ধরে কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের নিচের নিয়মগুলো অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

  • একটানা কাজ করার সময় ২০ মিনিট পর পর অন্তত এক মিনিট চোখ বন্ধ করে রাখুন।
  • মাঝে মাঝে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকুন। বিশেষ করে সবুজ গাছ-পালার দিকে তাকান।
  • কাজের ফাঁকে ফাঁকে চোখের পলক ফেলুন। যাতে করে চোখের আদ্রতার পরিমান স্বাভাবিক থাকে।

আই লেভেলে সামঞ্জস্যতা নিশ্চিত করাঃ

কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনিটরের সাথে আই লেভেলের সামঞ্জস্যতা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ এ ব্যাপারটি চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

হাতের তালুর পরশঃ

দুই হাতের তালু একটি অপরটির সাথে ঘর্ষনের ফলে যে তাপ সৃষ্টি হয় তা চোখের  জন্য অত্যন্ত উপকারী। চোখে আরামের আবেশ আনতে কমপক্ষে ১-১.৫ মিনিট চোখের উপর রাখুন।

দেখুন চোখে আরাম অনুভব হচ্ছে।

রংয়ের সামঞ্জস্যতাঃ

কম্পিউটারে কাজের সময় হালকা রংয়ের ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর গারো রংয়ের ফন্ট কালার নির্বাচন করুন। চোখের আরামদায়ক অনুভূতির জন্য সবুজ রংকেই সেরা রং হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই ব্যাকগ্রাউন্ড বা ওয়ালপেপার সবুজ রংয়ের রাখাই অধিক যুক্তিযুক্ত।

উপরোক্ত নিয়মগুলো অনুসরণ করে আমরা আমাদের চোখের যত্ন নিতে পারি।

ধন্যবাদ।