web design সমন্ধে আমরা অনেকেই কমবেশি জানি। তবে ওয়েব সাইটটিকে কিভাবে খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করা যায় তা আমরা অনেকেই জানিনা। তাই  আজকে ওয়েব ডিজাইন সর্ম্পকে একটু আলোচনা  করব।

 

ওয়েব ডিজাইনের কয়েকটি টিপস নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি যা আপনাকে একজন সফল ওয়েব ডিজাইনার হতে সাহায্য করবে।

১. অনুশীলন সাফল্যর চাবিকাঠি :

এই সার্বজনীন সত্য যে কোনো পেশায় প্রয়োগ করা যেতে পারে। ওয়েব ডিজাইন এর সাথে সম্পর্কিত সফটওয়্যার সম্পর্কে জানুন এবং প্রোগ্রামিং ভাষাতে মাস্টার হওয়ার চেষ্টা করুন।

যেমনঃ HTML5, সিএসএস 3, জাভাস্ক্রিপ্ট,  jQuery,  AJAX, পিএইচপি, ফটোশপ, এবং কোরেল।

২. সহজ ভাবে ডিজাইন করুন :

web design  গুলিকে আপনি যতটা সম্ভব সহজ রাখুন। আপনার ওয়েব ডিজাইন কোর্সে, আপনি যা শিখেছেন হতে পারে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর ফটোশপ , কোরেল ইত্যাদি।

আপনার ওয়েবসাইট এ আপনি সহজ গ্রাফিক্স যোগ করুন যাতে করে আপনি আপনার পাঠকদের কাছে বেপারটা আকর্ষণীয় হয়।

৩. গ্রাফিক্স ওয়েবসাইট সংক্ষিপ্ত করুন :

আপনার পাঠকদের জন্য আপনি যে গ্রাফিক্স ওয়েবসাইট এ ছবিটি র্নিবাচন করবেন তা এমন হবে যেন সেটা খুব ছোট না হয়, সেটা মাঝারি হতে হবে যাতে ইমেজ পরিষ্কারভাবে দেখতে সক্ষম হয়।

৪. পাঠকদের মনোযোগ যোগাযোগমূলক গ্রাফিক্স এ পেতে সাহায্য করুন :

পাঠকদের মনোযোগ পেতে হলে সর্বদা পরামর্শযোগ্য এবং যোগাযোগমূলক Graphics ব্যবহার করা প্রয়োজন কিন্তু আবার অনেক গ্রাফিক্স, ওয়েবসাইটে ব্যবহার করলে ওয়েবসাইটটি  সম্পূর্ণরূপে ঝুঁকিতে থাকে।

৫. আপনার Clip Art তৈরি করুন :

আপনার ওয়েবসাইটটি আকর্ষণীয় করতে,আপনার নিখুঁত গ্রাফিক্স প্রয়োজন কিন্তু কখনও কখনও আপনি আপনার ওয়েব সাইটের জন্য ভাল কিছু পাবেন না। ফটোশপ দিয়ে আপনার নিজস্ব গ্রাফিক্স তৈরি করুন বা অন্য কোন টুল যেটা আপনি সবচেয়ে পছন্দ করেন সেই টুল দিয়েও আপনি নিজস্ব গ্রাফিক্স তৈরি করতে পারেন।

৬. স্ট্যান্ডার্ড থিম ব্যবহার করুন :

বিভিন্ন ওয়েব পেজের জন্য বিভিন্ন স্টাইল ব্যবহার করবেন না। কন্সিস্টেন্ট এবং স্ট্যান্ডার্ডাইজেড থিম রাখুন আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য। যাতে আপনার দর্শকরা আপনার ওয়েবসাইটে প্রতিটি সময় নেভিগেট করার সময় বিভ্রান্ত না হয় ।

৭. রিস্পন্সিভ ডিজাইন তৈরী করুন :

এই সময়ে রেস্পন্সিভ ডিজাইন সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজে শিখে ফেলা যায় । আপনি রেস্পন্সিভ ডিজাইন বইটির সাহায্যে শিখতে পারেন এবং আপনার ওয়েবসাইট এ আপনি সবচেয়ে ভালো রেস্পন্সিভ থিম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

৮. সহজ এবং সাধারণ Navigation ব্যবহার করুন :

Navigation সহজ করুন, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নেভিগেশান লিঙ্ক যেন আপনার পাঠকদের কাছে খুব দ্রুত দৃশ্যমান এবং উন্মুক্ত রাখুন।

৯. সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান :

ইন্টারনেটে অনেক টিপস পাওয়া যায় আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করতে পারি না কিন্তু শিরোনাম, মেটা ট্যাগ এবং সেরা কীওয়ার্ডগুলির মূল বিষয়গুলি আপনাকে পরীক্ষা করতে হবে।

১০. ব্রাউজার Compatible :

আপনার ওয়েবসাইটকে প্রায় সকল ওয়েব ব্রাউজার যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, ফায়ারফক্স, গুগল ক্রোম, অপেরা, ইত্যাদি সামঞ্জস্যপূর্ণ করুন।

১১.  পড়ার সময় অবশ্যই ওয়েবসাইট সহজ হতে হবে :

আপনার ওয়েবসাইট এ আকর্ষণীয় টেক্সট রাখবেন, যদি এটি সঠিকভাবে স্থাপন করা না হয় ,তাহলে আপনার দর্শকরা আপনার ওয়েবসাইট ছেড়ে চলে যাবে।

সবসময় টেক্সট গুলা পড়ার জন্য সুন্দর ভাবে ফাঁকা রাখুন ।

১২. আপনি অনুসরণ করবেন কিন্তু কপি করবেন না :

শীর্ষ ওয়েব ডিজাইনার অনুসরণ করুন এবং আপনি যতটা পারেন তাদের কাছ থেকে শিখুন। এটি আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে এবং একটি সফল ওয়েব ডেভেলপার হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

অন্যের কোনো আর্টিকেল কপি করবেন না ,শুধুমাত্র তাদের কাছ থেকে শিখুন।

১৩. প্রফেশনাল ডিজাইনার হওয়ার জন্য,অন্য ডিজাইনারদের সাথে যোগাযোগ রাখুন :

আপনি যতই অভিজ্ঞ ডিজাইনার হন না কেন ,আপনার উচিত হবে সবসময় অন্যান্য ডিজাইনার এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা। তারা আপনাকে অবশ্যই সাহায্য করবে ,

আপনি ওয়েব ডিজাইন টিপস এবং ট্রিকস সম্পর্কে জানতে চাইলে আপনার সহযোগী ডিজাইনারকে জিজ্ঞেস করতে দ্বিধা করবেন না।

১৪.  ফ্রি প্লাগইন এবং তাদের ব্যবহার করুন :

এখন ইন্টারনেট থেকে ফ্রি ডাউনলোড করার জন্য প্রচুর মাধ্যম আছে। আপনি কাস্টমাইজড প্লাগইন পেতে আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করতে পারেন।

১৫. আপনার ডিজাইন প্যাশন তৈরি করুন :

আপনার নকশায় প্যাশন সৃষ্টি করুন এবং আপনার ক্যারিয়ার খুব সহজেই সফল হবে। আপনার অনুশীলন আপনাকে নিখুঁত করে তোলে, এই জন্য আপনাকে প্রাকটিস ,প্রাকটিস এবং প্রাকটিস করতে হবে,

না হলে ছেড়ে দেওয়ই ভাল।

১৬. নতুন ডিজাইনারদের নিয়ে মজা করবেন না :

আপনি যদি প্রফেশনাল ডিজাইনার হন, তবে নবাগত ডিজাইনারদেরকে নিয়ে কখনোই মজা করবেন না। নবাগত ডিজাইনারদের সাহায্য করুন যাতে তারা বড়ো হতে পারে।

নবাগত ডিজাইনারদেরকে সবসময় মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করতে হবে কারন ভালো ডিজাইনার হতে চাইলে অবশ্যই র্ধৈয্য এবং স্পৃহা থাকতে হবে।

১৭. নিজের ওপর বিশ্বাস আপনাকে কাজ সম্পর্কে পেশাদার করে তুলবে :

নিজের উপর বিশ্বাস রাখাটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। “বিশ্বাস” এই প্রেরণা ছাড়া আপনি কখনোই একজন সফল প্রফেশনাল ডিজাইনার হতে পারবেন না। এই জন্য সহজভাবে কাজগুলা করুন।

 

উপরোক্ত নিয়মগুলো মানলে আপনি একজন দক্ষ ওয়েবসাইট ডিজাইনার হতে পারবেন। আশা করি আমার পোস্টটি আপনাদের উপকারে আসবে।

অবশ্যই কমেন্টস করবেন এবং Subscribe করে আমাদের সাথে থাকবেন।