ওয়াই-ফাই সংযোগের সমস্যায় ভোগেন না এমন মানুষ অনেক কম আছে । দিন দিন এর প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যবহার পরিধিও সমান তালে বেড়ে চলেছে। তারহীন ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক দৈনন্দিন জীবনে জরুরী হয়ে পড়েছে । মাঝে মাঝে কিছু অজানা কারণেও ওয়াই-ফাইয়ের ধীর গতি দেখা দেয় ছোট কিছু নিয়ম মেনে চললে বা অবলম্বন করলে এ সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। ওয়াই-ফাই রাউটারে কি জন্য কি সমস্যা হয়ে থাকে তা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হলো:

=> ওয়াই-ফাই রাখতে হবে উঁচু জায়গায়ঃ

ওয়াই-ফাই রাউটার মাটিতে বা ফলস ছাদের ওপর বস্তর আরালে  রাখলে রাউটার স্পীড কমে যায়।ভাল জায়গা বাছাই করে ওয়াই-ফাই রাউটার সেট করতে হবে।যে জায়গাতে বেতার তরঙ্গ আদান প্রদান হয়ে থাকে সে জায়গাতে  উঁচু স্তানে ওয়াই-ফাই রাউটার সেট করতে হবে। যেসব বিষয় ওয়াই-ফাই সংযোগে বাধা সৃষ্টি করে তা এড়িয়ে চলা। জানালার পাশে কিংবা ঘরের এক কোণায় না রেখে ঘরের মাঝখান বরাবর রাউটার রাখুন। এতে বাইরের কেউ সহজেই আপনার ওয়াই-ফাই সুবিধা ব্যবহার করতে পারবে না। আর আপনিও সারাঘরে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে পারবেন।নেটওয়ার্ক এবং রাউটার সেটিং গত  কারনে ওয়াইফাই গতি কম হতে পারে।

=> অতিরিক্ত  ব্লুটুথ ডিভাইস বা মাইক্রো ওভেন থেকে দূরে রাখাঃ

মাইক্রো ওভেন বা ব্লুটুথ ডিভাইস দূরে রাখা। মাইক্রো ওভেন আপনার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের স্পীড কমিয়ে ফেলে । মাইক্রো ওভেন ২৫০ গিগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে থাকে যা কিনা ওয়াই-ফাই রাউটারের ২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডের সমান । ব্লুটুথ ডিভাইস ওয়াই-ফাই গতি কমিয়ে থাকে। ব্লুটুথ ডিভাইস ২.৪ গিগাহার্টজে ব্যান্ডের  কাজ করে। তাই যথা সম্ভব ব্লুটুথ ডিভাইস দূরে রাখুন অথবা বন্ধ রাখুন।

=> ইলেকট্রনিক যন্ত্র শব্দযুক্ত স্থান থেকে ওয়াই-ফাই দূরে রাখাঃ

ইলেকট্রনিক যন্ত্র ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে থাকে যা কিনা ওয়াই-ফাই এর গতি কমার কারন হতে পারে। মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ারের ফ্রিকোয়েন্সি এসব বেতার সংকেতের শব্দ অনেক সময় ওয়াই-ফাই  গতি কমার কারন হতে পারে।